রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
Logo বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তানের গ্রুপে পড়ল বাংলাদেশ Logo আইপিএলে নিলামে সর্বোচ্চ দামে সাকিব-মোস্তাফিজ Logo গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় বন্ধুসহ স্পর্শিয়া আটক Logo চিত্রনায়ক ইমনকে লাঞ্ছিত, এফডিসিতে তুমুল উত্তেজনা Logo ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন পূর্ণিমা Logo হোয়াটসঅ্যাপেও আসছে মেসেজ রিয়্যাকশন ফিচা Logo ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা নায়িকা শিমুর ডিএনএ টেস্ট করছেন চিকিৎসকরা Logo শাওনের ঘোরাঘুরি Logo আশা করেননি, তবে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন Logo ‘আমাদের বিয়েতে গায়েহলুদ, মেহেদি, নতুন শাড়ি কিছুই ছিল না’ Logo ট্রাফিক পুলিশকে টাকা ছুড়ে মারলেন ক্ষুব্ধ বিদেশি Logo জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ কাল Logo নৌকাকে ছাড়িয়ে গেছে ‘স্বতন্ত্র’ Logo বগুড়ার ১৪ ইউপির ৭টিতে বিএনপি নেতাদের জয় Logo বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়া গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয় Logo জনঘনত্ব ঢাকার চার এলাকায় Logo ১১ বছর পরে কন্যা সন্তানের মা হলেন তিশা Logo এসএসসি পরীক্ষায় সেরা ময়মনসিংহ, পিছিয়ে বরিশাল Logo করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শাবনূর Logo লঞ্চের ৩০০ যাত্রীকে উদ্ধার করায় পুরস্কার ‘৫ হাজার টাকা’! Logo যেভাবে পাওয়া যাবে বুস্টার ডোজ Logo ‘বুস্টার’ ডোজ দেওয়া শুরু, নতুন নিবন্ধনের দরকার নেই Logo বাসাবোতে এক নারীর অমিক্রন শনাক্ত Logo অবশেষে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগ দিলেন আসপিয়া Logo মা–বাবা হচ্ছেন তিশা–ফারুকী Logo নিহতের রক্তে থাকা পায়ের ছাপে ধরা পড়লেন ‘খুনি’ Logo পরাজিত প্রার্থীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে হামলায় আহত Logo নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা নিহত Logo চালক ঘুমাচ্ছিলেন, বাস ছিল সহকারীর হাতে: এনায়েত উল্যাহ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

ভ্যানচালকের এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৮২ হাজার টাকা

জনপ্রিয় খবর প্রতিনিধি : / ৫৩ বার পঠিত
সময়: শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভ্যানচালকের এক মাসের বি’দ্যুৎ বিল এসেছে ৮১ হাজার ৯৮১ টাকা। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভু’ক্তভোগী ভ্যানচালকের নাম মোজাম্মেল মিয়া তু’ফানো। তিনি উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, নিজের ভা’ঙাচো’রা ঘরে পুরো মাসে মাত্র একটি ফ্যান ও একটি লাইট ব্যবহারে বি’দ্যুৎ খরচ করেছিলেন মোজাম্মেল। এছাড়া একটি ভ্যানগাড়ি চার্জ দিয়েছেন। প্রতি মাসে তার বিদ্যুৎ বিল আসে ৮০০-৯০০ টাকা। তবে জুলাই মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে ৮১ হাজার ৯৮১ টাকা। হঠাৎ মোটা অংকের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বি’ব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে ভ্যানচালক মোজাম্মেল মিয়া বলেন, এক মাসে যে বিল এসেছে তা সংশোধন না করা হলে বাড়িঘর বেচেও পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। বকশীগঞ্জ পল্লীবি’দ্যুৎ সমিতির ডিজিএম জয় প্রকাশ জানান, বিলটি ভু’ল হয়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়া করে পুনরায় দেওয়া হবে।

আরো পড়ুনঃ লটকন বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকার বাড়ি করলেন তোতা মিয়া নরসিংদীর মনোহরদীতে পরিত্যক্ত জমিতে লটকন চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন তোফাজ্জল হোসেন তোতা মিয়া। তার সফলতায় লটকন চাষে উৎসাহের পাশাপাশি প্রতি বছরই এখানে বাড়ছে বাগানের সংখ্যা। তোতা মিয়া অর্জুনচর গ্রামের বাসিন্দা। নরসিংদীর মনোহরদীর মাটিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এ মাটিতে লটকনের উৎপাদন ভালো হচ্ছে। স্বাদে-গন্ধে হচ্ছে মিষ্টি এবং আকৃতিতেও হচ্ছে বড়। নরসিংদীর অন্যান্য উপজেলার মতো মনোহরদী উপজেলায় ও বর্তমানে লটকন বিক্রি করে অর্থনৈতিক সাফল্য ফিরিয়ে আনছেন অনেকে। তোতা মিয়া জানান, ২০০৬ সালে প্রায় তিন বিঘা জমিতে ১৬০ টি গাছ রোপণ করেন। চার বছর পর হতেই গাছে ফল আশা শুরু করে। প্রথম বছর মাত্র ছয় হাজার টাকা বিক্রি করলেও দ্বিতীয় বছর ৩৫ হাজার, তৃতীয় বছর ৭০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। এরপর থেকে প্রতিবছর তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা বিক্রি করে আসছেন।

তিনি আরো জানান, চলতি বছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে চার লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে। বাগানে প্রতি বছর পরিচর্যা বাবদ খরচ হয় মাত্র ১৫-২০ হাজার টাকা। আমার এ কাজে সহযোগীতা করছেন স্ত্রী এবং সন্তানরা। বাগানের লটকন সুস্বাধু হওয়ায় বিক্রি নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। বিভিন্ন এলাকার পাইকারি বিক্রেতারা প্রত্যেক বছর মাঘ এবং ফাল্গুন মাসে গাছে ফলন আসার পরই যোগাযোগ করতে শুরু করেন। পাইকারেরা বাগান থেকে প্রতি মণ লটকন দু-হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা দরে কিনে নেন। ফলে বেঁচে যায় পরিবহন খরচ। এখানকার উৎপাদিত শত শত মণ লটকন চাহিদা মেটাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার। এই বাগানের আয় থেকে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি বাড়ি করেছি। সাংসরিক খরচসহ নাতি-নাতনিদের পড়াশোনার খরচও চালানো হয় লটকন বাগানের আয় থেকে।

অন্যান্য লটকন চাষিরা জানান, মনোহরদী উপজেলায় লটকনের বাগান রয়েছে ১০টি। কয়েক বছর আগেও লটকনের স্বতন্ত্র বাগান ছিল না। তখন অন্যান্য ফল গাছের সঙ্গেই দু-একটি লটকনের গাছ লাগানো হতো পরিবারে খাবারের জন্য। আগে লটকনের তেমন চাহিদা ছিল না, দামও ছিল কম, সে কারণে কেউ লটকনের স্বতন্ত্র বাগান করার চিন্তা করতো না। বর্তমানে চাহিদা মূল্য দুটোই বেড়েছে। অন্যান্য ফলের চেয়ে লটকনের ফলন অনেক বেশি হয় বলে কৃষকেরাও অধিক লাভবান হচ্ছেন। গাছের পুষ্টির সুষমতা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গাছের গোড়া থেকে প্রধান কাণ্ড গুলোতে থোকায় থোকায় এত বেশি ফল ধরে যে, তখন গাছের কাণ্ড বা ডালই দেখা যায় না। স্থানীয় ব্যবসায়ী খোকন মিয়া জানান, প্রতি কেজি লটকন ঢাকায় নিয়ে ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করা যায়। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, লটকন উচ্চ সমতল সব ধরনের জমিতেই জন্মে। এক সময়ের পরত্যক্ত ভূমি ও ছায়াযুক্ত ভূমি যা চাষাবাদের অযোগ্য সেখানে এখন লটকন চাষ করে তার যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে।

আগে গ্রামে-গ্রামান্তরের কোনো কোনো বাড়িতে কদাচিৎ লটকন গাছ দেখা যেত। চাহিদা তেমন ছিল না বলে কেউ এটিকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের কথা চিন্তা করতো না। মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে প্রচুর ক্যালোরি, খাদ্য ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এ ফলের চাহিদা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে ফলের মূল্যও। মাটি ও জাতগুণে লটকনের মধ্যে টক ও মিষ্টি দুই প্রকারেই পাওয়া যায়। মনোহরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার জানান, বর্তমানে মনোহরদী উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ১০টি বাগানে প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে লটকনের চাষ হচ্ছে। দিন দিন এলাকার কৃষকদের মাঝে লটকন চাষের চাহিদা বাড়ছে। উপজেলা কৃষি অফিষ থেকে প্রতি বছর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আদর্শ ফলবাগান প্রকল্পের আওতায় ফলবাগান করতে লটকন বাগানের প্রদর্শনী দেওয়া হয়। বাগানে চারা ও সার কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

Archive Calendar


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Archive Calendar

মুজিব শতবর্ষ

সুরক্ষা অনলাই পোটার্ল

বাংলা পত্রিকাসমূহ

ইতিহাসের এই দিনে

বাংলাদেশের ৩৫০ ‍জন এমপিদের তালিকা

বিজ্ঞাপন

Web Deveoped By IT DOMAIN HOST