মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
Logo করোনা পরীক্ষার সূত্র ধরে ১৮ বছরের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার Logo হোটেল-রেস্তোরাঁর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবে ঢাকা উত্তর সিটি Logo স্পনসর বানানোর নামে ‘চাঁদাবাজি’ Logo বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে: মেয়র আতিক Logo উচ্ছেদ অভিযানে মেয়রকে বাধা, ২ মহিলা নেত্রী আটক Logo তাড়াশে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা গুনলেন ৯ জন Logo ধর্ষণের শিকার শিশু: অজুহাতে ভর্তি বাতিল! Logo বাবার মরদেহ দেখে ছেলের মৃত্যু! Logo তুরস্ক প্রেসিডেন্টকে ‘ষাঁড়’ বলায় কারাগারে সাংবাদিক Logo চোখ ধাঁধানো ঢাকা টাঙ্গাইল চার লেন Logo স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এলাকা ছাড়া করার নির্দেশ আওয়ামী লীগ নেতার! Logo দুই সন্তান জাপানি মায়ের কাছে থাকবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ‘সারোগেট পদ্ধতিতে সন্তানকে স্বাগত জানিয়েছি’ Logo বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তানের গ্রুপে পড়ল বাংলাদেশ Logo আইপিএলে নিলামে সর্বোচ্চ দামে সাকিব-মোস্তাফিজ Logo গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় বন্ধুসহ স্পর্শিয়া আটক Logo চিত্রনায়ক ইমনকে লাঞ্ছিত, এফডিসিতে তুমুল উত্তেজনা Logo ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন পূর্ণিমা Logo হোয়াটসঅ্যাপেও আসছে মেসেজ রিয়্যাকশন ফিচা Logo ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা নায়িকা শিমুর ডিএনএ টেস্ট করছেন চিকিৎসকরা Logo শাওনের ঘোরাঘুরি Logo আশা করেননি, তবে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন Logo ‘আমাদের বিয়েতে গায়েহলুদ, মেহেদি, নতুন শাড়ি কিছুই ছিল না’ Logo ট্রাফিক পুলিশকে টাকা ছুড়ে মারলেন ক্ষুব্ধ বিদেশি Logo জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ কাল Logo নৌকাকে ছাড়িয়ে গেছে ‘স্বতন্ত্র’ Logo বগুড়ার ১৪ ইউপির ৭টিতে বিএনপি নেতাদের জয় Logo বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়া গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয় Logo জনঘনত্ব ঢাকার চার এলাকায় Logo ১১ বছর পরে কন্যা সন্তানের মা হলেন তিশা

দ্রুত আসুন নইলে স্বামী সন্তানকেও মেরে ফেলব

জনপ্রিয় খবর প্রতিনিধি : / ৯০ বার পঠিত
সময়: রবিবার, ২০ জুন, ২০২১, ৪:০৩ অপরাহ্ণ

জাতীয় জরুরি সেবা ট্রিপল নাইনে (৯৯৯) ফোন করে মেহজাবিন মুন বলেন, ‘আমি আমার বাবা, মা আর ছোট বোনকে মেরে ফেলেছি। আপনারা দ্রুত আসুন। নইলে আমার স্বামী-সন্তানকেও মেরে ফেলব।’ গতকাল সকালে এমন খবর পেয়ে পুলিশের দল ছুটে যায় রাজধানীর কদমতলীতে। জুরাইন লাল মিয়া সরদার রোডের মুরাদপুর আদর্শ স্কুলের পাশের বাসা থেকে মেহজাবিনের বাবা, মা ও বোনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি ওই বাসা থেকে মেহজাবিনের স্বামী ও মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ট্রিপল নাইনে ফোন কলার মেহজাবিন মুনকে ওই বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- মেহজাবিনের বাবা মাসুদ রানা (৫০), মা জোসনা ওরফে মৌসুমী ইসলাম (৪৫) ও ছোট বোন জান্নাতুল ইসলাম (১৮)। পরে তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। অসুস্থ অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম এবং তাদের পাঁচ বছরের মেয়ে মারজান তাবাসসুম ইফতিয়াকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেহজাবিন খুনের ঘটনা স্বীকার করেছেন। পরিবারের প্রতি ক্ষোভ থেকে সবাইকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন মেহজাবিন। পরে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। তবে কী কারণে এই ট্রিপল খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে তা অনুসন্ধানে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, সিআইডির ক্রাইম সিন টিম এবং র‌্যাব সদস্যরা কাজ করছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাসা কদমতলীর বাগানবাড়ীতে। শুক্রবার রাতে আমার শ্বশুরবাড়ি মুরাদপুর হাইস্কুল রোডে যাই। একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন শ্বশুর-শাশুড়িসহ তাদের পরিবার। আমার স্ত্রী মেহজাবিনের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে মেহজাবিন সবাইকে খাবারের মধ্যে চেতনানাশক কোনো ওষুধ খাওয়ায়।’

নিহত মৌসুমী ইসলামের বড় বোন জাহানারা বলেন, ‘মেহজাবিনের ছোট বোন জান্নাতুল ইসলামের সঙ্গে তার স্বামী শফিকুলের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এ জন্য তাদের পরিবারে ঝগড়া হতো। তবে ঘটনার দিন কী ঘটেছিল, তা আমি জানি না। আমাদের ধারণা, পরকীয়া সম্পর্কের কারণেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।’ এ জন্য শফিকুলকেই দায়ী করেন ওই পরিবারের স্বজনরা। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডিসি শাহ ইফতেখার আহমেদ বলেন, শুক্রবার রাতের যে কোনো সময় খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে অচেতন করে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে নিজের বাবা, মা ও ছোট বোনকে হত্যা করেছেন মেহজাবিন। সকালে খুনি মেহজাবিন নিজেই ট্রিপল নাইনে ফোন করে পুলিশকে জানান। তিনি বলেন, ‘মেহজাবিনের বাবা মাসুদ রানা মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি বিয়ে করেছেন। বোনের সঙ্গে স্বামীর অনৈতিক সম্পর্ক আর বাবার বিয়ে- এসব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ থেকে পরিবারের সবাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মেহজাবিন।’ তবে মেহজাবিনের একার পক্ষে এ ঘটনা ঘটানো কতটুকু সম্ভব এ নিয়ে পুলিশের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা বলেন, নিহত মাসুদ রানা কয়েক বছর সৌদিতে ছিলেন। বছরখানেক হলো দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে ছয় বছর আগে মেহজাবিন মুন ও শফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। এরপর বিয়ে মেনে না নেওয়ায় মেহজাবিনের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু বছরখানেক হলো মেহজাবিনের বিয়ে মেনে নেয় পরিবার। এতেই বাধে বিপত্তি। মেহজাবিনের চাচাতো বোন শিলা বলেন, ‘মেহজাবিন তার পরিবারের সবাইকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে স্বামী-সন্তানকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে মেহজাবিন। এসেই ছোট বোন জান্নাতুলের সঙ্গে তার স্বামীর পরকীয়া রয়েছে বলে বাবা-মার কাছে অভিযোগ করে। এ নিয়ে অনেক কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরেই হয়তো সে এ হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে।’ এ ছাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, জায়গা-সম্পত্তি নিয়েও পরিবারের সঙ্গে বিরোধ ছিল মেহজাবিনের। সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য বাবা-মাকে চাপ দিতেন মেহজাবিন। এ নিয়ে এর আগে সালিশ বৈঠকও হয়েছে। কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ‘মেহজাবিনের স্বামীকেও আমরা সন্দেহের বাইরে রাখছি না। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সম্পত্তির বিষয়ও এখানে রয়েছে।’ ঘটনাস্থল থেকে ট্রিপল মার্ডারের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা। এ ঘটনায় কদমতলী থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

মুজিব শতবর্ষ

সুরক্ষা অনলাই পোটার্ল

বাংলা পত্রিকাসমূহ

ইতিহাসের এই দিনে

বাংলাদেশের ৩৫০ ‍জন এমপিদের তালিকা

বিজ্ঞাপন

Web Deveoped By IT DOMAIN HOST