শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
Logo বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তানের গ্রুপে পড়ল বাংলাদেশ Logo আইপিএলে নিলামে সর্বোচ্চ দামে সাকিব-মোস্তাফিজ Logo গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় বন্ধুসহ স্পর্শিয়া আটক Logo চিত্রনায়ক ইমনকে লাঞ্ছিত, এফডিসিতে তুমুল উত্তেজনা Logo ফের করোনায় আক্রান্ত হলেন পূর্ণিমা Logo হোয়াটসঅ্যাপেও আসছে মেসেজ রিয়্যাকশন ফিচা Logo ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধে হত্যা নায়িকা শিমুর ডিএনএ টেস্ট করছেন চিকিৎসকরা Logo শাওনের ঘোরাঘুরি Logo আশা করেননি, তবে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন Logo ‘আমাদের বিয়েতে গায়েহলুদ, মেহেদি, নতুন শাড়ি কিছুই ছিল না’ Logo ট্রাফিক পুলিশকে টাকা ছুড়ে মারলেন ক্ষুব্ধ বিদেশি Logo জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ কাল Logo নৌকাকে ছাড়িয়ে গেছে ‘স্বতন্ত্র’ Logo বগুড়ার ১৪ ইউপির ৭টিতে বিএনপি নেতাদের জয় Logo বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়া গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয় Logo জনঘনত্ব ঢাকার চার এলাকায় Logo ১১ বছর পরে কন্যা সন্তানের মা হলেন তিশা Logo এসএসসি পরীক্ষায় সেরা ময়মনসিংহ, পিছিয়ে বরিশাল Logo করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শাবনূর Logo লঞ্চের ৩০০ যাত্রীকে উদ্ধার করায় পুরস্কার ‘৫ হাজার টাকা’! Logo যেভাবে পাওয়া যাবে বুস্টার ডোজ Logo ‘বুস্টার’ ডোজ দেওয়া শুরু, নতুন নিবন্ধনের দরকার নেই Logo বাসাবোতে এক নারীর অমিক্রন শনাক্ত Logo অবশেষে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগ দিলেন আসপিয়া Logo মা–বাবা হচ্ছেন তিশা–ফারুকী Logo নিহতের রক্তে থাকা পায়ের ছাপে ধরা পড়লেন ‘খুনি’ Logo পরাজিত প্রার্থীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে হামলায় আহত Logo নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা নিহত Logo চালক ঘুমাচ্ছিলেন, বাস ছিল সহকারীর হাতে: এনায়েত উল্যাহ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

দেশে অক্সিজেন সরবরাহে টান টান অবস্থা

জনপ্রিয় খবর প্রতিনিধি : / ৮৬ বার পঠিত
সময়: মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ২:২৯ পূর্বাহ্ণ

চলতি মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার সময় দিনে সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ টন পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা হতো। এর মধ্যে ১০০ টন আসত পাশের দেশ ভারত থেকে। বাকিটা দেশেই উৎপাদিত হয়েছে। ২১ এপ্রিলের পর ভারত থেকে অক্সিজেন আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। তাই দেশে অক্সিজেনের সরবরাহ কমেছে। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, করোনা রোগী কমে আসায় অক্সিজেনের চাহিদাও কমে গেছে। কিন্তু রোগী বাড়লে বড় বিপদের শঙ্কা আছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এটি জানা গেছে। তাঁরা বলছেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী। তাই অক্সিজেনের চাহিদা কমেছে। এ ছাড়া শিল্প অক্সিজেন তৈরি কমিয়ে মেডিকেল অক্সিজেন তৈরি করা হচ্ছে। এতে আপাতত সংকট এড়ানো গেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, করোনার সংক্রমণের আগে দেশের স্বাস্থ্য খাতে অক্সিজেনের চাহিদা ছিল দিনে ১০০ থেকে ১২০ টন। ওই সময় আমদানির প্রয়োজন হতো না। করোনার সংক্রমণ শুরু হলে চাহিদা বাড়তে থাকে। শুরু হয় ভারত থেকে আমদানি। চলতি এপ্রিলের শুরুতে দিনে চাহিদা সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ টনে পৌঁছায়। এখন এটি কমে ১৪০ থেকে ১৫০ টনে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়নি।
জানা গেছে, দেশের সব সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করে বহুজাতিক কোম্পানি লিন্ডে ও দেশীয় কোম্পানি স্পেকট্রা। বেসরকারি হাসপাতালেও তারা সরবরাহ করে। আর শুধু বেসরকারি হাসপাতালে বড় সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করছে ইসলাম অক্সিজেন। তিনটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ উৎপাদনের চেষ্টায় দিন–রাত কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে। এর বাইরে নতুন করে শিল্প অক্সিজেন তৈরির প্রতিষ্ঠান এ কে অক্সিজেন, ইউনিয়ন অক্সিজেন ও আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং মিল থেকে মেডিকেল অক্সিজেন তৈরির সাময়িক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরা কিছু কিছু করে অক্সিজেন সরবরাহ করছে বলে জানা গেছে।

লিন্ডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, তাঁদের দুটি কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা দিনে ৯০ টন। চাহিদা বাড়ার পর ভারতে অবস্থিত লিন্ডের কারখানা থেকে তাঁরা অক্সিজেন এনেছেন। দিনে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৪০ টন পর্যন্ত আমদানি করেছে এ কোম্পানি। সব মিলিয়ে দিনে ১১০ থেকে ১২০ টন পর্যন্ত সরবরাহ করেছেন তাঁরা। আমদানি করা তরল অক্সিজেন এখনো মজুত আছে তাঁদের কাছে। তাই এখন দিনে ৯০ টনের কিছু বেশি সরবরাহ করছে লিন্ডে। সরকারি নির্দেশে শিল্পে সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন তাঁরা।

দেশে অক্সিজেন সরবরাহে টান টান অবস্থা

ফাইল ছবি

স্পেকট্রা অক্সিজেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সর্বোচ্চ চাহিদার সময় দিনে ৫০ টনের বেশিও সরবরাহ করেছেন তাঁরা। আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন দিনে ২০ টনের মতো সরবরাহ করছেন। তবে নতুন একটি কারখানায় উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। জুনের শেষ দিকে এটি চালু হলে দিনে আরও ৩০ টন অক্সিজেন উৎপাদন করতে পারবে স্পেকট্রা।

দিনে ৪০ টনের মতো অক্সিজেন উৎপাদনের সক্ষমতা আছে ইসলাম অক্সিজেন কোম্পানির। কিন্তু বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে ৩০ টন উৎপাদন করতে পারে তারা। তারাও ভারত থেকে আমদানি করে দিনে ৫০ টনের মতো সরবরাহ করেছে। ২০ টন আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এখন ৩০ টন দিচ্ছে প্রতিদিন। কারখানা সম্প্রসারণের জন ব্যাংকের কাছে অর্থায়ন চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে ইসলাম অক্সিজেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুস্তাইন বিল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, কারখানাগুলোকে শতভাগ উৎপাদনে থাকার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। গ্যাস–সংযোগ পেলে নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ২৪ ঘণ্টা কারখানা সচল রাখা যায়। আর কম সুদে ঋণ দিয়ে কারখানা সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করে দিতে পারে সরকার।

বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে অক্সিজেন আসা বন্ধ

বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে অক্সিজেন আসা বন্ধ

দেশের তিনটি বড় অক্সিজেন সরবরাহাকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, ভাগ্য খুবই ভালো। সংক্রমণ কমার মধ্যে অক্সিজেন আমদানি বন্ধ হয়েছে। ভারতের সংক্রমণ পরিস্থিতি খুব খারাপ। বিভিন্ন দেশ থেকে এখন অক্সিজেন নিচ্ছে দেশটি। তাঁরা বলেন, দেশের প্রথম সারির একটি বেসরকারি হাসপাতালে দিনে গড়ে সাড়ে তিন টন অক্সিজেন লাগে। তাই দেশে উৎপাদন বাড়ানো দরকার। তিনটি প্রতিষ্ঠান চরম চাপের মধ্যে কাজ করছে। কোনো একটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেলেই সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ফরিদ হোসেন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, কোথাও অক্সিজেনের ঘাটতি নেই, সরবরাহ নিয়ে কোনো অভিযোগও আসেনি। রোগীর চাপ কমায় অক্সিজেনের চাহিদাও কমেছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতের চিন্তা মাথায় রেখে খুব শিগগির শিল্প অক্সিজেন তৈরির কারখানার সঙ্গে বসে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, দেশে তরল অক্সিজেন উৎপাদনের ঘাটতি থাকলেও গ্যাসীয় অক্সিজেনের ঘাটতি নেই। ভারত থেকে তরল অক্সিজেন আমদানি করা হতো। এটি হাসপাতালের বড় ট্যাংক থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। আর গ্যাসীয় অক্সিজেন সিলিন্ডারে সরবরাহ করা হয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে সিলিন্ডারে করে সংকট মেটানো যাবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সংক্রমণ কমার ধরন পুরোপুরি সঠিক চিত্র দেয় না। কঠোর বিধিনিষেধের কারণে এটি দেখা গেছে। মানুষ এখন আবার রাস্তায় নামছে। সামনে সংক্রমণ আগের চেয়ে দ্বিগুণ হতে পারে। আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া দরকার।

এ বিষয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক বে-নজির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, শেষ মূহূর্তে চাইলেই অক্সিজেন পাওয়া যাবে না। তাই এখন থেকেই সংক্রমণ পরিস্থিতির প্রক্ষেপণ ও অক্সিজেনের উৎপাদন মূল্যায়ন করে কর্মকৌশল তৈরি করা উচিত। দেশে উৎপাদন বাড়াতে না পারলে ভারতের বিকল্প বাজার খুঁজে দেখা প্রয়োজন।

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০

মুজিব শতবর্ষ

সুরক্ষা অনলাই পোটার্ল

বাংলা পত্রিকাসমূহ

ইতিহাসের এই দিনে

বাংলাদেশের ৩৫০ ‍জন এমপিদের তালিকা

বিজ্ঞাপন

Web Deveoped By IT DOMAIN HOST